হুমকিতে জরুরি খাদ্য পরিবহন, ডাকঘর খুলতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি

হুমকিতে জরুরি খাদ্য পরিবহন, ডাকঘর খুলতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যশস্য পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত পরিবহন ঠিকাদাররা বিল তুলতে পারছেন না। এসব ঠিকাদার ডাকঘরের মাধ্যমে রেজিস্টার্ড ইনভয়েস প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিল তুলেন। কিন্তু গত এক মাসে করোনা পরিস্থিতির কারণে ডাকঘরের মাধ্যমে এসব ইনভয়েস বিলি না করায় ঠিকাদাররা অর্থ সঙ্কটে পড়েছেন। এ কারণে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ডাকঘর খোলা রাখার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে ডাক টেলিযোগাযোগ বিভাগকে।

আজ মঙ্গলবার সারাদেশের সকল জেলা ও বিভাগীয় ডাকঘরগুলো সাপ্তাহিক কর্মদিবসে তিন ঘণ্টা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে চিঠি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ডাকঘর তিন ঘণ্টা করে খোলা রাখলে খাদ্য বিভাগের রেজিস্টার্ড ডাকগুলো নিয়মিত বিতরণে সমস্যা থাকবে না। 

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খাদ্যশস্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রেরণ কেন্দ্র কর্তৃক ইনভয়েসের ৪র্থ কপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রাপক কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ শেষে পুনরায় ইনভয়েসগুলোর ২য় ও ৪র্থ কপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে যথাক্রমে প্রাপক ও প্রেরণ কেন্দ্রের জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু গত প্রায় এক মাস যাবৎ ডাক বিভাগ এসব রেজিস্টার্ড ডকুমেন্ট বিতরণ করেনি। এ কারণে খাদ্য বিভাগের সকল শ্রেণির পরিবহন ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা হচ্ছে না। ফলে ঠিকাদাররা অর্থ সংকটে পড়ায় খাদ্য সংক্রান্তু জরুরি পরিবহন ব্যবস্থা হুমকিতে পড়ছে। এই অবস্থায় সারাদেশের সকল ডাকঘরগুলোকে সাপ্তাহিক কর্মদিবসগুলোতে নিয়মিতভাবে তিন ঘণ্টা করে খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম হাসান।

তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেফায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান গত ২৮ মার্চ থেকে দেশের সকল ডাকঘর খোলা আছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় হয়তো বিষয়টি জানে না। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম হাসান কালের কণ্ঠকে জানান, খাদ্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ডাকঘর সংক্রান্ত ঝামেলার কারণে পরিবহণ ঠিকাদারদের বিল তোলার বিষয়ে অভিযোগ আসার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যদি সকল ডাকঘর খোলা থাকে তাহলে ভালো। আমরা সতর্ককতামূলক অবস্থান থেকে চিঠি দিয়ে রেখেছি।

বাংলাদেশ