ব্যাংকক থেকে মরদেহসহ দেশে ফিরেছে আটকে পড়া ৪৯ জন

ব্যাংকক থেকে মরদেহসহ দেশে ফিরেছে আটকে পড়া ৪৯ জন

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আটকে পড়া ৪৮ জন যাত্রী ও কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক শফিক শাফির বাবা হারুন অর রশিদ-এর মরদেহ নিয়ে দেশে ফিরেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট। শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১৪ ফ্লাইটটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ব্যাংককের থাকসিন হাসাপতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৫ মার্চ ইন্তেকাল করেন শফিক শাফির বাবা। করোনাভাইরাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ থাকায় এরপর থেকে হাসপাতালটির হিমঘরে রাখা হয় মরদেহ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অনুমোদন নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকায় আসার অনুমতি পায়।

শফিক শাফি বলেন, ‘অনেক চেষ্টার পর আমরা শুক্রবার আব্বাকে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। সঙ্গে যাওয়া মা, ভাই, বোনরাও দেশে ফিরতে পেরেছেন। আল্লাহর দরবারে অশেষ শুকরিয়া। আগামীকাল শনিবার সকাল ৯টায় মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার রামকৃষ্ণ দিতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হবে। আমি সকলের কাছে বাবার জন্য দোওয়া চাই।’

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ফ্লাইটের সবাই স্বাস্থ্য সনদ নিয়ে দেশে এসেছেন। থাইল্যান্ডে তাদের কারও শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। তবুও তাদের স্ক্রিনিংয়ের পর তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী হজ ক্যাম্পে প্রাতিষ্ঠানিক বা হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।’

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের দূর্যোগকালীন সময়ে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে প্রথম কোনো স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনায় এগিয়ে এলো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

বর্তমানে একমাত্র ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস প্রতি শনিবার একটি ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া দূর্যোগকালীন সময়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সকে প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট পরিচালনা ছাড়াও কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে বেবিচক।

বাংলাদেশ