‘দেশের এক খণ্ড জমিও যেন অনাবাদি না থাকে’

‘দেশের এক খণ্ড জমিও যেন অনাবাদি না থাকে’

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের সব জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগের ৯ জেলার মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে দেওয়া বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দেশে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে। সামনে আমাদের ধানকাটা মৌসুম শুরু হচ্ছে। এ সময় কৃষক, দিনমজুরদের দুর্দশা লাঘব হবে। ধান কেটে তারা উপার্জন করতে পারবেন। এতে খাদ্য সংকটও দূর হবে তাদের। তিনি বলেন, এক খণ্ড জমিও যেন অনাবাদি না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ ছাড়া বাড়ির ছাদ, বারান্দায় টবে গাছ লাগিয়ে উৎপাদনের সমস্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, করোনা দুর্যোগের ভেতর যেসব স্থানে হাট বসছে, সেই জায়গা যদি ছোট থাকে তবে আরো বড় জায়গা দেখে হাট বসাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে হাটবাজারে আসা লোকজন পরস্পরের সংস্পর্শে এসে করোনার বিস্তার যেন না ঘটাতে পারে। খুব বেশি সমাগম না করেই পণ্য বেচাকেনা করার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

করোনা পরিস্থিতিতে দুস্থদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে বিত্তবানদের প্রতি আবারো আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে দেশের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছি এবং তাতে সাড়াও দিয়েছেন তারা। আমি আহ্বান জানাবো এই সাহায্য অব্যাহত রাখতে।

ত্রাণ বিতরণে দুর্নীতির ব্যাপারেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ত্রাণ বিতরণে অনিয়মন হলে আমরা বরদাস্ত করব না। ইতিমধ্যে এসব ঘটনায় জড়িত অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অনেকের ডিলারশিপ বাতিল হয়েছে। আমরা ৫০ হাজার অতিরিক্ত রেশন কার্ড অতিরিক্ত দেব। যাদের প্রকৃতপক্ষে পাওয়ার যোগ্য সত্যিকার দুস্থ, দরিদ্র তাদের নাম যেন তালিকায় থাকে। সঠিক ব্যক্তির কাছে যেন সাহায্য পৌঁছায় সেজন্য সংশ্লিষ্ট কমকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। 

অন্যান্য