সাংসদ আমানুরের দেহরক্ষী গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাংসদ আমানুর রহমান খানের (রানা) দেহরক্ষী মোহাম্মদ সমীরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মাহফীজুর রহমান বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল বুধবার গভীর রাতে শহরের ঢাকা রোডের বিশ্বাস বেতকা গোডাউন সেতু এলাকা থেকে সমীরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফারুক হত্যা মামলায় গত বছর গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ আলী ও আনিসুল ইসলাম রাজা তাঁদের দেওয়া জবানবন্দিতে ফারুক হত্যায় সমীরের জড়িত থাকার কথা জানায় জানান।

ওই ঘটনার পর থেকে সমীর আত্মগোপনে ছিল জানিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে টাঙ্গাইল থানায় একাধিক মামলা আছে।

ওসি গোলাম মাহফীজুর রহমান বলেন, সমীরকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ শহরের কলেজপাড়া এলাকায় তাঁর বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তের একপর্যায়ে গত বছরের আগস্টে রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা আদালতে জবানবন্দিতে বলেন, সাংসদ আমানুর ও তাঁর ভাইয়েরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। এর পর থেকে সাংসদ আমানুর রহমান খান এবং তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী জাহিদুর রহমান কাকন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সানিয়াত খান বাপ্পা আত্মগোপনে আছেন।

Featured বাংলাদেশ