গরিব-দুস্থদের দুম্বার মাংস লুটে নিল পুলিশ!

গরিব-দুস্থদের দুম্বার মাংস লুটে নিল পুলিশ!

meet0ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলায়। গরিব ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দ করা দুম্বার মাংস লুটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার রাতে খোদ কোতোয়ালি মডেল থানা প্রাঙ্গণেই এ ঘটনাটি ঘটে। রক্ষক হয়ে ভক্ষকের মতো আচরণ করলো পুলিশ। এ নিয়ে দুস্থদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর সৌদি সরকারের কাছ থেকে আনা ময়মনসিংহ সদর উপজেলার জন্য ১৮০টি দুম্বার মাংস জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়া হয়।

এ মাংস দুস্থ ও গরিব মানুষের হাতে তুলে দিতে বৃহস্পতিবার রাতে কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে বিতরণ করা হয়। কিন্তু মাংস আসতেই বিতরণের বদলে হারিয়ে ফেলে পুলিশ।

চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে প্রকাশ্যেই দুম্বার মাংস লুটের ধান্ধায় নেমে যায় পুলিশ। যার কারণে তালিকা মোতাবেক বিভিন্ন এতিমখানা, বড় মসজিদ, দরিদ্র ও দুস্থদের কাছে দুম্বার মাংস পৌঁছেনি।

সূত্র মতে, পুলিশের মাংস লুটের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে মাংস বিতরণে চরম হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়।

সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুবিনুর রহমান বিষয়টি তাৎক্ষণিক মুঠোফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেন। এ খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফজলুল করিমের কাছে ফোন করলে তিনি রিসিভ না করায় লুটের মধ্যদিয়ে শেষ হয় দুম্বার মাংস।

ময়মনসিংহের বড় মসজিদের এতিমখানার জন্য ১০ প্যাকেট দুম্বার মাংসের তালিকা করা হলেও দেয়া হয়েছে মাত্র ৪ প্যাকেট।

পিআইও মুবিনুর রহমান বলেন, নিরাপত্তার জন্য থানায় নিয়ে মাংস বিতরণ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশই বেশির ভাগ মাংস লুট করে নিয়ে গেছে।

পুলিশ মাংস বিতরণে চরম অসহযোগিতা করেছে এমন কথা বলেছেন সদর ইউএনও কামরুজ্জামান। আমি বারবার ওসিকে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফজলুল করিম জানান, মাংস লুট হয়নি। করলে গরিবরাই করছে। ইউএনওর ফোন না ধরার বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।

জেলা সংবাদ শীর্ষ খবর