অন্ধ্রপ্রদেশে বর্ণহিন্দু মেয়েকে বিয়ে করার পরিণতি

অন্ধ্রপ্রদেশে বর্ণহিন্দু মেয়েকে বিয়ে করার পরিণতি

বর্ণবাদী হিন্দুরা ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের ধর্মপুরী জেলায় দলিত শ্রেণীর তিনটি বসতিতে অন্তত ২৮৫ টি বসতঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। তবে কেউ হতাহত হয়নি। হামলার কথা আঁচ করতে পেরে দলিতরা ভয়ে আশপাশের এলাকায় পালিয়ে যায়। ২০ বছরের মেয়ে দীবা ২৩ বছরের দলিত ইলাবর্ষণকে বিয়ে করায় বর্ণবাদী পিতা নবরাজন গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে বর্ণবাদী হিন্দুরা নিন্মজাতের দলিত সম্প্রদায়ের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে একথা বলা হয়। ৭ নভেম্বর রাতে ক্রুদ্ধ জনতা প্রথমে ইলাবর্ষণের গ্রাম নাথ কলোনি, এ কলোনির পাশের কোন্দামপট্টি ও আন্নানগরে হামলা চালায়। দলিতদের বসতবাড়ি ভস্মীভূত করার জন্য পেট্রোল ব্যবহার করা হয়। গত ১৪ অক্টোবর একটি মন্দিরে ইলাবর্ষণ ও দীবা বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বর্ণবাদী হিন্দুদের হামলার আশঙ্কায় ইলাবর্ষণ ও দীবা পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টরের কাছে আশ্রয় চায়। একটি আদালত দীবাকে তার পিতার কাছে ফেরত দেয়ার জন্য ইলাবর্ষণের পরিবারকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু দীবা তার পিতার কাছে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। এ দুঃখে পিতা নবরাজন গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৯০ জনকে গ্রেফতার করেছে। আক্রান্ত গ্রামগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক