গাজীপুর-৪ আসনে উপ-নির্বাচন ৩০ সেপ্টেম্বর

গাজীপুর-৪ আসনে উপ-নির্বাচন ৩০ সেপ্টেম্বর

গাজীপুর-৪ আসনে উপ-নির্বাচনের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন রেখে বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, এ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই হবে ৫ সেপ্টেম্বর এবং আবেদন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর।

আওয়ামী লীগ নেতা তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ পদত্যাগ করায় গাজীপুরের এই আসনটি শূন্য হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের ছেলে তানজিম গত ২৩ এপ্রিল ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফাপত্র জমা দিলেও সশরীরে উপস্থিত না হওয়ায় স্পিকার তা গ্রহণ করেননি।

এরপর গত ৭ জুলাই নিজে উপস্থিত হয়ে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তানজিম আহমেদ। এরপর তা গ্রহণ করে আসনটি শূন্য ঘোষণা করেন স্পিকার আব্দুল হামিদ।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, তারা গাজিপুরের উপ নির্বাচনে প্রার্থী দেবে না।

বিএনপির অনুপস্থিতিতে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আশা করি সব রাজনৈতিক দল সব নির্বাচনে অংশ নেবে। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চাই।”

“রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা কথাবার্তা হচ্ছে। আপনারা তা অবগত। তারা নিশ্চয়ই এমন সিদ্ধান্ত নেবেন যাতে সময়মতো সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন হয়। কারণ জনগণ শান্তি চায়,” বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

ভোটের টুকিটাকি

কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ জানান, এ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০২টি ও ভোটকক্ষা ৪৭২টি। নির্বাচনী আসনের ১১টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা মোট ২ লাখ ১১ হাজার ৮৮৪ জন।

ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদকে গাজীপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচনী বিধি মনে করিয়ে দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে প্রার্থীকে যে কোন তফসিলি ব্যাংকে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে, যার নম্বর, ব্যাংক ও শাখার নাম মনোনয়পত্রে উল্লেখ করতে হবে।

“নির্বাচনের সমুদয় ব্যয় এই অ্যাকাউন্ট নম্বর থেকে করতে হবে। নির্বাচনের পর ব্যয়ের রিটার্ন এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোটকেন্দ্রের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় গাজীপুরে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হবে। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।

ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ