আবুল হোসেনের পদত্যাগপত্র গৃহীত

আবুল হোসেনের পদত্যাগপত্র গৃহীত

এক মাসের নাটকীয়তা শেষে সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগপত্র বৃহস্পতিবার গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভ‍ুঁইয়া সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপতি বিকেলে সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

আবুল হোসেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী। বিশ্বব্যাংকের চাপে আবু হোসেনকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

পদ্মাসেতু-দুর্নীতির ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ মাথায় নিয়ে গত ২৩ জুলাই তিনি পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগের আগ পর্যন্ত তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার পদত্যাগ নিয়ে চলে দীর্ঘ নাটকীয়তা। পদত্যাগ করেছেন নাকি করেননি তা নিয়েও নানা বিতর্ক শুরু হয়।

দীর্ঘ এই নাটকীয়তার পর অবশেষে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হলো।

এদিকে পদত্যাগের পরেও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন হয়নি। এ অবস্থায় পদত্যাগের পর কার্যবিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।

যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললে শুরু থেকেই আবুল হোসেন তা নাকচ করেছেন। কিন্তু ওই ইস্যুতেই বিশ্বব্যাংক গত ২৯ জুন ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে আবুল হোসেনকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় গত ডিসেম্বরে। দায়িত্ব দেওয়া হয় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের।

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হন আবুল হোসেন।

বাংলাদেশ