গতির দেশ জ্যামাইকা

গতির দেশ জ্যামাইকা

ক্যারিবীয় দ্বীপদেশ জ্যামাইকার মানুষগুলো সর্বক্ষণ দৌড়ায় কি না জানা নেই। তবে তারা যে খুব ভালো দৌড়াতে পারে তা অজানা নয়। অলিম্পিক গেমস এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দ্রুতি ছড়ানো একটি জাতি তারা। তাদের যে কয়জন অ্যাথলেট আছে তারা খুব দ্রুত দৌড়াতে পারেন।

বিশ্বের দ্রুততম মানব-মানবী জ্যামাইকার। উসাইন বোল্ট রোববার ৯.৬৩ সেকেন্ডে নতুন অলিম্পিক রেকর্ড গড়ে দ্রুততম মানবের খেতাব ধরে রেখেছেন। বেইজিংয়ের চেয়েও ভালো দৌড়েছেন বোল্ট। তার আগের দিন নারীদের ১০০ মিটার জিতেছেন শেলী-অ্যান-ফ্রেসার-প্রাইস। ১০.৭৫ সেকেন্ড সময় নিয়েছেন তিনি। নারীদের তৃতীয় সেরা দ্রুততম মানবীও জ্যামাইকার। ক্যাম্পবেল ব্রাউন ১০.৮১ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। ২০০ মিটার আবার তার ফেভারিট ইভেন্ট।

ফিরে আসা যাক পুরুষ ইভেন্টে। ১০০ মিটারে রৌপ্য পদকটিও জিতেছেন জ্যামাইকার প্রতিযোগী। ৯.৭৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে বন্ধু বোল্টের পেছনেই ছিলেন ইউহান ব্লেক। চোট না পেলে সাবেক বিশ্বসেরা আসাফা পাওয়েল হয়তো তৃতীয় হতেন। ১০০ মিটারে আমেরিকার জাস্টিন গ্যাটলিন তো তার পেছনেই ছিলেন।

এছাড়াও অ্যাথলেটিক্সের আরও বেশ কয়েকটি ইভেন্টে জ্যামাইকার প্রতিযোগী আছেন। কিন্তু সে সব ক্ষেত্রে তাদের অর্জন কম। খ্যাতি যা পাওয়ার তা পেয়েছে গতির ইভেন্টগুলোতে।

অদ্ভুত দেশ, সেখানে আরও অনেক গতিমানব তৈরি হচ্ছে! প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম হয়তো অ্যাথলেটিক্সে আধিপত্য দেখাবে জ্যামাইকা। শক্তির খেলাগুলোতে তারা খুব ভালো খেলে। অনেক আগেই বিশ্বজুড়ে তাদের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়াতে পারতো। তা হয়নি তাদের অ্যাথলেটরা উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন নিয়ে আমেরিকায় পাড়ি দেওয়ায়। নাগরিকত্ব নিয়ে তারা হয়ে যেতেন আমেরিকার সম্পদ। জ্যামাইকা এখন তার সম্পদের উত্তম ব্যবহার করতে শিখেছে। ক্রিকেট তো ভালো খেলেই, ফুটবল, বাস্কেটলেও উঠে আসছে। তবে সবকিছুর মুলে তাদের খেলা অ্যাথলেটিক্স।

খেলাধূলা