‘১০ বছরে মা-বোনেরাও দক্ষ ‘ড্রাইভার’ হয়ে গড়ে উঠবেন’

‘১০ বছরে মা-বোনেরাও দক্ষ ‘ড্রাইভার’ হয়ে গড়ে উঠবেন’

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমাদের দেশের মা-বোনেরা দক্ষ “ড্রাইভার” হয়ে শুধু গাড়ি চালনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না, তারা নৌযান চালাতেও সক্ষম হয়ে উঠবেন।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনা বলে-কইয়ে আসেনা। শিক্ষিত লোক ড্রাইভিংয়ে নেই বলে “অশিক্ষিতরা” গাড়ি চালনা করে থাকেন। আপনারা যারা ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক ও সাংবাদিক, তাদের ছেলে-মেয়েদের ড্রাইভার হতে উৎসাহিত করুন।’

কিশোরঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার কালিয়াচাপড়ায় নিটল-টাটা মোটরস ট্রেনিং স্কুলের প্রথম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শনিবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ নেতা শামছুল ইসলাম হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- প্রফেসর ডা. এম. এ মান্নান, এমপি, জেলা প্রশাসক মো. সিদ্দিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মীর রেজাউল আলম, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিআইডি) আ. কাহার আকন্দ,  পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন, পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রেনু, নিটল-টাটার চেয়ারম্যান মাতলুব আহম্মেদ প্রমুখ।

মন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তা অমেরামতের জন্য দুর্ঘটনা হলে ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে কিংবা গাড়ির ব্রেক-টায়ারের অভাবে দুর্ঘটনা হলে গাড়ির মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা না হয়ে, ড্রাইভারের বিরুদ্ধে মামলা হয়। কিন্তু কোনো ড্রাইভার তো ইচ্ছা করে দুর্ঘটনা ঘটাতে চান না।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু ড্রাইভারদের দুর্বলতা নেই, একথা অস্বীকার করবো না। দক্ষ ড্রাইভার তৈরি করার মতো ট্রেনিং সেন্টার এদেশে অপ্রতুল।’

শাহজাহান খান বলেন, ‘ড্রাইভিং শেখার যে ট্রেনিং সেন্টারগুলো আছে, সেসব সেন্টার থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার ড্রাইভার বের হলে রাস্তায় গাড়ি আসে ৫০ হাজার। কাজেই, আমাদের পরিবহন শ্রমিকরা অতিরিক্ত ড্রাইভারের চাহিদা পূরণ করে আসছেন।’

বাংলাদেশ