মিরপুর-এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার: আরও ১৬৯ কোটি টাকা অনুমোদন

মিরপুর-এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার: আরও ১৬৯ কোটি টাকা অনুমোদন

মিরপুর-এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভারকে ৪ থেকে ৬ লেনে রূপান্তরিত করা জন্য আরও ১৬৯ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

শেরেবাংরা নগরের এনইসি ভবনে মঙ্গলবার একনেক সভায় তা অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা শেষে বিকেল ৫টায় এক সাংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম জানান, মিরপুর-এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৯১ কোটি টাকা। এখন তা বাড়িয়ে ৩৬০ কোটি করা হয়েছে। এই টাকার মধ্যে বনানী রেলক্রসিং ওভারপাসও (সংশোধিত) নিমার্ণ কার হবে।

প্রকল্পটির সম্পূর্ণ খরচ সরকার বহন করছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়েনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য আবাসন সমস্যা নিরসন করা হবে। প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ, এ প্রকল্পের নিমার্ণ কাজ শুরু হয় ২০১০ সালের মার্চে এবং তা ২০১৩ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

মঙ্গলবারের একনেক সভায় মোট ৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৯৭২ কোটি টাকা।

এর মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ৮৭০ কোটি এবং ১ হাজার ১০২ কোটি টাকা আসবে প্রকল্প সাহায্য থেকে।

অন্যান্য প্রকল্পগুলো হলো- বিশ্বখাদ্য কর্মসূচির সহায়তায় দুর্যোগ ও জলাবায়ু পরিবর্তন প্রভাবসহন প্রকল্প। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে আসবে ৫২৯ কোটি এবং প্রকল্প সাহায্য ৫০৯ কোটি টাকা।

মাদারীপুর (মোস্তফাপুর)-শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কের আড়িয়াল খাঁ নদীর উপর সপ্তম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রি (কাজীরটেক সেতু) সহ আরও ৩টি সেতু। এতে মোট ব্যয় ধরা হয় ২৭৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০০ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য এবং ৭৫ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন।

ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণ প্রকল্প। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২২৮ কোটি টাকা। যার পুরোটাই আসবে সরকারি তহবিল থেকে।

বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে পায়রা নদীর উপর পায়রা সেতু (বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রি সেতু) নির্মাণ প্রকল্প। মোট ব্যয় ৪১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৯৩ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য এবং ২০ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন।

সরকারি অর্থায়নে ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পোস্তগোলা সরকারি আধুনিক ময়দা মিল প্রকল্প।

৫২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। এ প্রকল্পের সব টাকা সরকারি তহবিল থেকে আসবে।

অর্থ বাণিজ্য