ব্যাংকগুলোকে মানবিক ও দরিদ্রবান্ধব করতে কাজ করছি: ড. আতিউর

ব্যাংকগুলোকে মানবিক ও দরিদ্রবান্ধব করতে কাজ করছি: ড. আতিউর

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার ফলে উন্নত বিশ্বসহ বিকাশমান অর্থনীতির দেশগুলোর আর্থিক খাতে চলছে অস্থিতিশীলতা। ফলে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ধরে রাখাটা বড় চ্যালেঞ্জ। অপরদিকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে চলছে বর্তমান সরকারের দীর্ঘমেয়াদী রূপকল্পের পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন। এজন্য আর্থিক খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিগত, আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

আর এ পুরো সময়টাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বে রয়েছেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান। তিনি ২০০৯ সালের মে মাসে গভর্নর হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই গুরুদায়িত্বটি গ্রহণ করেন। বুধবার ২ মে মেয়াদের শেষ বছর শুরু করছেন তিনি। এরই মধ্যে তার অনেক উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। পরিচিতি পেয়েছেন গরিববান্ধব গভর্নর হিসেবে। ব্যাংকিং খাতকে মানবিক করতে তার প্রশংসা দেশ ছাড়িয়ে আজ বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি এর স্বীকৃতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কারের জন্য। আগামী ৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে তা গ্রহণ করতে  ভারতে যাচ্ছেন তিনি। ঠিক এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নানাবিধ অর্জন নিয়ে একান্তে কথা বলেছেন তিনি। তার দেওয়া সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্ব।

*  দেশের অর্থনীতি এখন গতিময়: ড. আতিউর রহমান

দ্বিতীয় পর্ব

প্রিয় পাঠক, প্রথম পর্বের শেষভাগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ব্যাংকগুলোতে নজরদারির কথা বলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই তার কাছে জানতে চাওয়া হয়-

** ব্যাংক নজরদারিতে নতুন কৌশলের এর কথা বললেন। একটু ব্যাখ্যা করবেন। কোন দিককে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৌশল নির্ধারণে।

গভর্নর: দেখুন, আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে ব্যাংকিং খাতকে আরো মানবিক ও দরিদ্র বান্ধব করতে কাজ করছি। এরইমধ্যে, আমি মনে করি, অনেকটা সফল হয়েছি। তবে আরও অনেক কাজ বাকি আছে। এরই ধারাবাহিকতাতে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতের নজরদারিতে কৌশলগত পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। ব্যাংক সুপারভিশনের কার্যকারিতা বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি ন্যুনতম করা বা ঝুঁকি প্রশমনের জন্যে একটি সুসংগঠিত ভিত্তি গড়ে তোলা, ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশনকে কার্যকর করা,  কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণীত রেগুলেশনগুলোকে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, সক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও ব্যাংকগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন শক্তিশালী করতে পর্যাপ্ত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

অনসাইট সুপারভিশনের ব্যবস্থায় ব্যাংকিং কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ঝুঁকিগুলোর দিকে আরো গভীর মনোনিবেশ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অফসাইট ও অনসাইট উভয় সুপারভিশনের ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হচ্ছে। একে আরো উন্নত করার জন্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে।

আসছে দিনগুলোতে পরিদর্শন প্রতিবেদন দ্রুত তৈরি করা হবে। ব্যাংকগুলোর তারল্যের গতিধারার পরিমাপ ও ব্যবস্থাপনায় নজরদারি আরো জোরদার করা প্রয়োজন রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সে উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে আমরা ঋণ মঞ্জুরি, ঋণের সদ্ব্যবহার ও আদায়ের সমুদয় প্রক্রিয়ার ওপর পরিদর্শনে সতর্ক নজরদারি বাড়িয়েছি।

** আপনি বলেছেন, অর্থনীতি স্থিতিশীল ও গতিময় রয়েছে। এটা অব্যাহত থাকবে কিভাবে? আর জাতীয় প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ক্ষেত্রে অর্জন সম্পর্কে বলুন।

গভর্নর: আমি মনে করি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সুস্থ ধারাতেই রয়েছে। কৃষি, উৎপাদনশীল ও সেবা খাতের জোরালো প্রবৃদ্ধির কারণে জিডিপির প্রকৃত প্রবৃদ্ধি ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে ছিলো ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। ২০০৯-১০ বছরে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। আর ২০১০-১১ অর্থবছরে ৬ দশমিক সাত অর্জিত হয়েছে। মাথাপিছু জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি প্রায় ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। চলতি বছরেও প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলেই মনে হচ্ছে। এবং আসছে অর্থ বছরে তা সাত শতাংশের কাছাকাছি হবে বলে আমি মনে করছি। গত তিন বছরের গড় প্রবৃদ্ধি সাড়ে ছয় শতাংশের বেশি হবে, যা পূর্ববর্তী যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। জিডিপি প্রবৃদ্ধির দিক থেকে এ অঞ্চলে একমাত্র ভারতের পর বাংলাদেশের অবস্থান। আমরা এই ক্ষেত্রে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপের চেয়ে ওপরে। তাছাড়া, এ প্রবৃদ্ধির অনেকটাই অংশগ্রহণমূলক ও কাক্সিক্ষত গুণমানের, সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। আমার দেশের কৃষক, শ্রমিক, ক্ষুদে নারী উদ্যোক্তাসহ সকল সৃজনশীল মানুষই এ প্রবৃদ্ধি অর্জনে অবদান রেখে চলেছেন।

** মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে আসা যাক। মূল্যস্ফীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তুষ্টি রয়েছে। এর ব্যাখ্যা কি দেবেন?

গভর্নর: হ্যাঁ আপনি ঠিকই বলেছেন। বিশ্ববাজারে খাদ্য ও জ্বালানির দামের ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এটা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ। ২০১১ শেষে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। অন্যদিকে, সর্বশেষ মার্চে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্যে বাস্তবানুগ, সংযত ও সংহত মুদ্রানীতি গ্রহণ করা হয়েছে। আশেপাশের দেশের মতোই বাংলাদেশের বর্তমান মূল্যস্ফীতিও অস্বস্তিকর মাত্রায় দাঁড়িয়েছে। এতে দেশের জনগণেরও কষ্ট বেড়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে ও গরীবকে রক্ষা করতে গৃহীত পদক্ষেপ এর কারণে খাদ্য মূল্যস্ফীতি স্থিতিশীল ও সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে আশা করি। তবে এ সময়ে মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে প্রায় এক-চতুর্থাংশ। তার মানে হালে মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও বেড়েছে যথেষ্ট।

**র্তমান সরকারের শুরুর দিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ে। কিন্তু ২০১১ সালে তা কমে যায়। এ সম্পর্কে কিছু বলুন।

গভর্ণর: দেখুন, রিজার্ভ নিয়ে আমি মোটেও দুশ্চিন্তা করছি না। ২০১০-১১ অর্থ বছর শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় হাজার কোটি মার্কিন ডলার। তবে ২০১১ সালের শেষ দিকে এসে তা কিছুটা কমে যায়। এর যৌক্তিক কারণও রয়েছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার যে রিজার্ভ বর্তমানে রয়েছে তা পর্যাপ্ত। এখনও উদ্বেগজনক কোন পরিস্থিতির তৈরি হয়নি। প্রতিনিয়ত তা বাড়ছে। বর্তমানে তা এক হাজার কোটি ডলারের ওপরে। এর মোট অঙ্কের বিচারে আগের তিন বছরের চেয়ে পরের তিন বছরে তা চারগুণেরও বেশি বেড়েছে। গত ২৫ এপ্রিল আইএমএফ প্রতিশ্রুত এক বিলিয়ন ডলার ঋণের প্রথম কিস্তি যোগ হয়েছে। তাছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে গঠিত বিদেশি ঋণ বাছাই কমিটি এই অর্থবছরে এক বিলিয়ন ডলারের মতো বিদেশী ঋণের অনুমোদন দিয়েছে। নতুন অনুমোদিত ৩টি এনআরবি ব্যাংকের মূলধন প্রতিটি ৪০০ কোটি টাকা হিসেবে এক হাজার ২০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বাড়বে বলে আশা করা যায়।

**আপনার মেয়াদের গত তিন বছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির কি চিত্র। নতুন শ্রম বাজার ছাড়া এই প্রবাহ ধরে রাখা কতটা সম্ভব হবে।

গভর্নর : আপনারা জানেন, গত তিন বছরে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের পরিমাণ প্রায় ৩১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ বছরের জানুয়ারি মাসে এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২২ কোটি ডলার এসেছে। এর আগে কোন এক মাসে এতো পরিমাণে রেমিট্যান্স আসেনি। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে বেনিফিশিয়ারিদের কাছে রেমিট্যান্স পাঠানো সকল ক্ষেত্রেই যেন ঝামেলা ও হয়রানিমুক্তভাবে স¤পন্ন হয় তা নিশ্চিচত করাসহ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আহরণের নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির জন্যে কয়েক ডজন এক্সচেঞ্জ হাউজ খোলা ছাড়াও এমএফআই, পোস্ট অফিস ও মোবাইল অপারেটরগুলোকে রেমিট্যান্স বিতরণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে রেমিটেন্স ১৩ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে বলে আমি মনে করি। রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো বাড়ানোর জন্যে নতুন নতুন বৈদেশিক শ্রমবাজার অন্বেষণ এবং বিদ্যমান শ্রমবাজারে প্রতিনিধিতে¦র বিস্তার ঘটিয়ে সেখানে জনশক্তি পাঠানোর ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

** আমদানী ও রপ্তানী বাণিজ্য পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট?

গভর্নর : বর্তমান সরকারের তিন বছরে ব্যাপক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। এ সময়ে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঘটেছে ৪৭ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার, ২০১০-১১ অর্থবছরে ২২ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার এবং চলতি অর্থবছরের মার্চ ২০১২ পর্যন্ত রপ্তানি আয় হয়েছে ১৭ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের সম্ভাব্য ২৪ বিলিয়ন ডলার হিসাবে নিলে তিন বছরের গড় রপ্তানি আয় ২১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হবে। এটা ভালো দিক। অপরদিকে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় হয়েছে ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৩৩ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার এবং চলতি অর্থবছরের মার্চ ২০১২ পর্যন্ত আমদানি ব্যয় হয়েছে ২১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। মূলত বিশ্ববাজারে খাদ্য ও জ্বালানির দামের ব্যাপক বৃদ্ধি, রপ্তানি-সহযোগী আমদানি পণ্য বিশেষত তুলার দাম বাড়ায় এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্যে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্যে সামগ্রিকভাবে আমদানি ব্যয় কিছুটা বেড়েছে অস্বীকার করব না। তবে এব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সজাগ রয়েছে।

** বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের বিষয়টি রিজার্ভ বাড়ার সাথে জড়িত। এর লেনদেন সহজ করতে বা বিড়ম্বনা কমাতে কি উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক?

গভর্নর: বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ক্ষেত্রে অধিকতর উদারীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে চলতি হিসাবের আওতাভুক্ত বিদেশে ভ্রমণ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, চিকিৎসা ব্যয়, আমদানিসহ ব্যবসায়িক প্রয়োজন ইত্যাদির জন্যে আগে থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছি আমরা। অনলাইনের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা রপ্তানির (আউটসোর্সিং) বিপরীতে পাওয়া আয়  বিদেশ থেকে গ্রহণের বিষয়ে সু¯পস্ট নীতিমালা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে সেবা রপ্তানির বিপরীতে বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ সহজেই আনা যাচ্ছে। বর্তমানে সফটওয়্যার/আইটি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ছাড়াই আইটি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যয় যেমন রেজিস্ট্রেশন ফি, সার্ভার মেইনটেন্যান্স ফি ইত্যাদি বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করতে পারছে। ফলে তথ্য প্রযুক্তিখাতে রপ্তানি আরও বাড়বে আশা করছি। এছাড়া, রপ্তানি উপকরণ আমদানির জন্যে অগ্রিম প্রেরণের সুযোগ  প্রদান, সফটওয়্যার/আইটি পণ্য/সেবার রপ্তানিকারকদের জন্যে ই-কমার্স ভিত্তিক রপ্তানি ও লেনদেন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ভর্তি সংক্রান্ত ফি দেওয়া যাচ্ছে। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে লেনদেন পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসবই বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন সহজ করতেই করা হয়েছে।

** সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

গভর্নর: ধন্যবাদ ।

অর্থ বাণিজ্য