ইভিএম নিয়ে প্রয়োজনে আবার সংলাপ: সিইসি

ইভিএম নিয়ে প্রয়োজনে আবার সংলাপ: সিইসি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিষয়ে ‘প্রয়োজনে’ নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ মঙ্গলবার বিকালে কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি কাজী রকিবের নেতৃত্বে নতুন ইসি আসার পর মঙ্গলবারই প্রথম ইভিএম নিয়ে কথা বললেন সিইসি।

তিনি বলেন, “আগামী সংসদ নির্বাচনে ইভিএমকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনে আবারও সংলাপের উদ্যোগ নেবে নির্বাচন কমিশন।”

“নতুন কমিশন এ নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।”

এর আগে বিগত ইসি ইভিএম নিয়ে দলগুলোর মতামত নিলে তারা জাতীয় নির্বাচনের আগে পর্যায়ক্রমে তা ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ইভিএমের প্রবল বিরোধিতা করলেও ক্ষমতাসীন দল তাতে সমর্থন দিয়ে আসছে।

এ টি এম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন ইসি বিদায়ের সময় বলেছিলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সব ধরনের প্রস্তুতি রেখে যাচ্ছেন তারা। স্থানীয় নির্বাচনে সফলভাবে ইভিএম ব্যবহার হলেও জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নতুন ইসি।

বিদায়ী ইসি শেষ মুহূর্তে সংসদ নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য ইভিএমের প্রটোটাইপ তৈরিরও নির্দেশ দেয় বুয়েটের আইআইসিটিকে।

নতুন সিইসি কাজী রকিব বলেন, “প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। তাই এ প্রযুক্তিকে পিছিয়ে রেখে আমরা এগুতে পারবো না।”

“সাধারণ ভোটাররা যাতে তাদের ভোট সঠিকভাবে দিতে পারে ও যাতে কোনো সমস্যা না হয়- সেজন্য বিদ্যমান ইভিএমকে আরো নিখুঁত ও নির্ভরযোগ্য করতে বুয়েটের সঙ্গে আলোচনা চলছে।”

‘ডিসিসি নির্বাচনের প্রস্তুতি রাখছি’

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (ডিসিসি) নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, বিলটি সংসদে পাশ হলে এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। তার পরও আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।

মঙ্গলবার সংসদে বিভক্ত ডিসিসি নির্বাচনের সময় বাড়িয়ে সংসদে সংশোধিত আইন পাস হয়। আইন অনুযায়ী, আগামী মে মাসের মধ্যে দুই ভাগে নির্বাচনের কথা রয়েছে।

হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের সংস্কারগুলোর প্রশংসা করেন নতুন সিইসি।

রাজনীতি