সিলেটের সব ভালো একসঙ্গে হচ্ছে না: কাপালী

সিলেটের সব ভালো একসঙ্গে হচ্ছে না: কাপালী

একের পর এক ভুল পরাজয়ের বৃত্তে আটকে দিয়েছে সিলেট রয়্যালসকে। যেদিন ব্যাটিংয়ে হয় বোলিংয়ে হয় না। আবার ব্যাটেবলে ভালো হলে ফিল্ডিংয়ে দুর্বল। একসঙ্গে সব বিভাগে জ্বলে উঠতে পারছে না দলটি।

মঙ্গলবার ফিল্ডিংয়ে ভুলের মাশুল দেয় দুরন্ত রাজশাহীর কাছে ১৬ রানে হেরে। রাজশাহী যে ১৭১ রানের সংগ্রহ পেয়েছে তার ভিত গড়ে দিয়েছেন মূলত মার্লন স্যামুয়েলস ৭২, মুশফিকুর রহিম ৩৩ ও আব্দুল রাজ্জাক ৩০ রানের ইনিংস খেলে। ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার স্যামুলস যখন ৪৯ রানে তখন ব্যাড হগের বলে ক্যাচ তুলেছিলেন। কিন্তু মিডউইকেটে ক্যাচটা ফেলে দিয়েছিলেন নাঈম ইসলাম। শেষপর্যন্ত অলক কাপালীর বলে তিনি আউট হলেও তিনটি চার ও পাঁচটি ছয়ের মার দিয়ে ৪৮ বলে দুর্দান্ত একটা ইনিংস খেলে দেন।

ইমরুলও একটি ক্যাচ ফেলেছেন। ২৯ রানে জীবন পেয়েছেন আব্দুল রাজ্জাক। সিলেটের ছোট ছোট ভুলগুলের সুযোগে একটা শোভন স্কোর পেয়ে যায় রাজশাহী।

পরে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫ রান তোলে সিলেট। তাদের ওপেনার কামরান আকমল তিনটি চার ও চারটি ছয় মিলিয়ে ৪১ বলে ৫৬ রান করেন। অধিনায়ক পিটার ট্রেগো ৩৪ বলে করেন ৩৭ রান। এছাড়া কোন ব্যাটসম্যানের বড় স্কোর নেই।

এভাবে টানা তিন ম্যাচ হেরে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে অলক কাপালি একটা ব্যাখ্যা অবশ্য দিলেন, ‘আসলে আমরা একেক দিন এককটা ভুল করেছি। প্রথম দিন আমরা ব্যাটিং ভালো করছি, দ্বিতীয় দিন বোলিং ভালো করেছি। আজকে যেমন ফিল্ডিং ভালো করতে পারিনি। দুইটা ক্যাচ মিস হয়েছে। তিন দিন তিনটা জায়গায় ল্যাকিংস ছিলো এটাই আমাদের দুর্বলতা। আশা করি আগামীতে আমাদের সবগুলো বিভাগেই ভালো হবে।’

প্রতিযোগিতার সবচেয়ে মাজুল দল বলতে সিলেট এবং রাজশাহী। তিন ম্যাচ খেলে রাজশাহী প্রথম জয়। সমান ম্যাচ থেকে কোন পয়েন্ট পায়নি সিলেট। রাজশাহী তো তাদের প্রথম ম্যাচে চিটাগং কিংসের বিপক্ষে ছয়টি ক্যাচ মিস করেছিলো। তবে খেলা যত গড়াচ্ছে ততই উন্নতি করছে দলগুলো। খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বাড়ছে।

খেলাধূলা