চালের দাম ৪০ টাকার মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে

চালের দাম ৪০ টাকার মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে

চালের দাম ৪০ টাকার মধ্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ‘অ্যাচিভিং এসজিডিস : এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক পলিসি ডায়ালগে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, শেষ ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে শুধু এই বছরেই আমরা খাদ্য সমস্যায় পড়েছি। অসময়ের বন্যার কারণে এবার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। চালের দাম বেড়ে গেছে। আমরা এটাকে কমিয়ে ৪০ টাকার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে চাল আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এক দশক ধরে আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশে রয়েছে। আর শেষ তিন বছরে আমরা ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। আমরা সৌভাগ্যবান। কারণ, আমাদের রফতানি ‘সাফার’ করছে না। ধারাবাহিকভাবে আমদের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।

মুহিত বলেন, ২০০৯ সলে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দার সময় আমরা অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে চাঙা করার নীতি গ্রহণ করি। যাতে বাজারে পণ্য সরবরাহ কমে না যায়। এ নীতি অবলম্বন করে আমরা দারুণ সফলতা পেয়েছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ৩০ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যসীমায় রয়েছে। দারিদ্র্য বিমোচন করা আমাদের প্রধান পলিসি। দারিদ্র্যের হার ৭ থেকে ৮ শতাংশে নামিয়ে আনা খুব ভালো। বাংলাদেশের জন্য এটা সম্ভব। কারণ, শেষ আট বছরে আর প্রতিবছরই এক শতাংশ করে কমিয়েছি। আমার ধারণ আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারব।

আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে এ পলিসি ডায়ালগের আয়োজন করা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৯৭৮ সাল থেকে ৩২টি প্রকল্পে বাংলাদেশে ইফাদ সরাসরি ৭১ কোটি ৭২ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে। এর উপকার ভোগ করেছে ১ কোটি ৭ লাখ পরিবার।

বর্তমানে ইফাদ বাস্তবায়নাধীন ৬টি প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি, বাজার ও অর্থ প্রবাহে অভিগম্যতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জীবিকার সন্ধানে সহযোগিতা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকল্পগুলোর কাজ এগোচ্ছে।

বিনিয়োগে ইফাদের সহযোগীদের মধ্যে রয়েছে- বিশ্ব ব্যাংক, এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক, নেদারল্যান্ডস সরকার, স্পেন সরকার, জার্মানির কেএফডব্লিউ ডেভলপমেন্ট ব্যাংক, কোরিয়া, নোরাড, ড্যানিডা, ইউ এস এইড এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও দেশি এনজিও।

Leave a Reply