মাদক অপরাধীদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে আইন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাদক অপরাধীদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে আইন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাদক অপরাধীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ এবং মোবাইল কোর্ট আইন সংশোধনের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশের প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন, আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মাদকবিরোধী পোস্টার, লিফলেট, স্টিকার, স্যুভেনির প্রকাশ ও বিতরণের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে গত বছর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সব সংস্থা ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৮৩ জন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৬টি মামলা দায়ের করেছে। এ বছর জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ২৭ হাজার ৩৪০টি মামলায় ৩৫ হাজার ১১২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করছে। জেলা প্রশাসনও এ বিষয়ে সহযোগিতা করে অবৈধ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হালনাগাদ তালিকা করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ইয়াবাসহ মাদকের প্রবাহ রোধকল্পে মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে স্ট্র্যাটেজিক কমিটি, সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগ এনফোর্সমেন্ট কমিটি এবং সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগকে আহ্বায়ক করে মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক আন্দোলন সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার জেলায় ৯৪ জনবলের বিশেষ জোন স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্ডার লিয়াঁজো অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বর্তমানে চলমান মাদকবিরোধী কার্যক্রমের ফলে মাদকদ্রব্যের চোরাচালান ও এর ব্যবহার বন্ধ করে যুব সমাজকে সামাজিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হবো বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Leave a Reply