৮ বছরে ৪১৩০. ৪২৫ কেজি সোনা আটক

৮ বছরে ৪১৩০. ৪২৫ কেজি সোনা আটক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে (২০০৯ থেকে ২০১৭সাল পর্যন্ত) ৪ হাজার ১৩০. ৪২৫ কেজি সোনা আটক করা হয়। এসব সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকে অস্থায়ীভাবে জমা করা হয়েছে।

পরবর্তীতে এসব সোনা সংশ্লিষ্ট আটকের বিপরীতে দায়েরকৃত মামলা নিস্পত্তি সাপেক্ষে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হলে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা করা হয়।

রোববার দশম সংসদের ১৯তম অধীবেশনে সংসদ সদস্য এম এ আউয়ালের (লক্ষ্মীপুর-১) লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ৬৬৬. ৯২৯ কেজি, ঢাকা কাস্টম হাউস ১৬৬৮ .৫৬ কেজি, ঢাকা কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর ১৭৪৮.৮৩২, সিলেট কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ১৬.১১ কেজি, চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ২৩.২২০ কেজি, রংপুর কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ৬.২৬৬ এবং বেনাপোল কাস্টম হাউজ .৫০৮ কেজি।

তিনি আরো বলেন, ( ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত) দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে আনা বিপুল পরিমান সোনার বার ও বিভিন্ন রকম সোনার অলঙ্কার আটক করে পুলিশ । দেশের থানাসমূহে রুজুকৃত মামলার হিসাব অনুযায়ী আটককৃত এসব সোনা ওজন প্রায় ১ হাজার ৭১৮ কেজি ৭৮ গ্রাম। আটককৃত এসব সোনা বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট,কোর্ট মালখানা, জেলা প্রশাসনের ট্রেজারী, কাস্টমসের মূল্যাবান গুদাম এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে মালিকের জিম্মায় আছে।

মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে সোনা অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম পরিচালনা,ব্যাপক তল্লাশী এবং নজরদারি বৃদ্ধির ফলে সীমান্ত এলাকায় ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২০৩ .৭৫৬ কেজি সোনা আটক করা হয়। ২০১১ সালে ১.১৭৩ কেজি, ২০১২ সালে ৪.৭২৯ কেজি,২০১৩ সালে ৫.৬৭৭ কেজি,২০১৪ সালে ৪২.০০৭ কেজি,২০১৫ সালে ২৭.৯৭৮ কেজি,২০১৬ সালে ৩৯.৭৯৬ কেজি ,২০১৭ সালে ৮২.৩৯৬ কেজি আটক করা হয়েছে। আটককৃত সোনা নিয়ম অনুযায়ী থানা/ কাস্টমস অফিসে জমা করা হয়েছে।

Leave a Reply